BDOUTLOOK
  • হোম
  • দেশ
    • জাতীয়
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • বরিশাল
    • সিলেট
    • রংপুর
    • ময়মনসিংহ
  • বিশ্ব
  • প্রবাস
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • আফ্রিকা
    • এশিয়া
    • অস্ট্রেলিয়া
  • রাজনীতি
  • অর্থবাণিজ্য
  • খেলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • ফিচার
    • শিল্পসাহিত্য
      • কবিতা ও ছড়া
      • গল্প
      • প্রবন্ধ-আলোচনা
      • রম্য
      • শিশুসাহিত্য
      • স্মৃতিকথা
      • শিল্পসাহিত্যের খবর
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • লাইফস্টাইল
    • ট্যুরিজম
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • ক্যাম্পাস
    • নারী
  • অপরাধ আইন আদালত
  • সাক্ষাৎকার
BDOUTLOOK
  • হোম
  • দেশ
    • জাতীয়
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • বরিশাল
    • সিলেট
    • রংপুর
    • ময়মনসিংহ
  • বিশ্ব
  • প্রবাস
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • আফ্রিকা
    • এশিয়া
    • অস্ট্রেলিয়া
  • রাজনীতি
  • অর্থবাণিজ্য
  • খেলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • ফিচার
    • শিল্পসাহিত্য
      • কবিতা ও ছড়া
      • গল্প
      • প্রবন্ধ-আলোচনা
      • রম্য
      • শিশুসাহিত্য
      • স্মৃতিকথা
      • শিল্পসাহিত্যের খবর
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • লাইফস্টাইল
    • ট্যুরিজম
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • ক্যাম্পাস
    • নারী
  • অপরাধ আইন আদালত
  • সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞাপন ও ডোনেশন
BDOUTLOOK
BDOUTLOOK
  • হোম
  • দেশ
    • জাতীয়
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • বরিশাল
    • সিলেট
    • রংপুর
    • ময়মনসিংহ
  • বিশ্ব
  • প্রবাস
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • আফ্রিকা
    • এশিয়া
    • অস্ট্রেলিয়া
  • রাজনীতি
  • অর্থবাণিজ্য
  • খেলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • ফিচার
    • শিল্পসাহিত্য
      • কবিতা ও ছড়া
      • গল্প
      • প্রবন্ধ-আলোচনা
      • রম্য
      • শিশুসাহিত্য
      • স্মৃতিকথা
      • শিল্পসাহিত্যের খবর
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • লাইফস্টাইল
    • ট্যুরিজম
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • ক্যাম্পাস
    • নারী
  • অপরাধ আইন আদালত
  • সাক্ষাৎকার

News 24 Hours BDOUTLOOK.COM

শিশুসাহিত্য

দুখু ও ঝলমলে পরি : সিদরাতুল হাসান মেহেক

বিডিআউটলুক সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫
শেয়ার Facebook
150


আট বছরের একটি ছোট্ট ছেলে দুখু। মায়ের একমাত্র ছেলে সে। খুব ছোট বয়সে তার বাবা মারা গিয়েছে। তাই তার মা মানুষের বাসায় কাজ করে টাকা উপার্জন করে কোনোমতে সংসার চালান। আর দুখু প্রতিদিন বনে যায় লাকড়ি কুড়াতে।
এমনই একদিন দুখু লাকড়ি কুড়াতে কুড়াতে বনের অনেক গভীরে চলে যায়। যেতে যেতে সে একটা শব্দ শুনতে পেল। শব্দটি কোথা থেকে আসছে সেটা জানার জন্য সে আরও সামনের দিকে এগোতে থাকল এবং দেখলে একটি গাছ থেকে শব্দটি আসছে।
সেটি অনেকটা এমন ছিল— ‘তুমি যদি আমাকে এখান থেকে মুক্ত করে দাও,
বিনিময়ে তুমি আমার কাছ থেকে যা খুশি তা চেয়ে নাও।’
এই ছন্দটি শোনার পর দুখু অনেক ভয় পেল। ফলে সে বাড়ি চলে গেল। বাসায় ফিরে সে শুয়ে শুয়ে তার সাথে ঘটা সকল ঘটনা ভাবতে থাকল, ভাবতে ভাবতে একসময় সে ঘুমিয়ে পড়ল। পরদিন সকালে দুখু আবার লাকড়ি কুড়াতে গেল। লাকড়ি কুড়াতে কুড়াতে এক সময় সে আবারো গাছের সামনে পৌঁছাল।
গাছ থেকে আবার শব্দ আসতে থাকল— ‘তুমি যদি আমাকে এখান থেকে মুক্ত করে দাও, বিনিময়ে আমার কাছ থেকে যা খুশি তা চেয়ে নাও।’
দুখু এবারও খুব ভয় পেল। এবার দুখুর খুব মন খারাপ হলো, কারণ সে কোনোভাবেই বুঝতে পারছিল না যে গাছ থেকে কিভাবে আওয়াজ আসছে। দুখুর এভাবে মন খারাপ করতে দেখে তার মা তাকে জিজ্ঞেস করল, ‘কী হয়েছে বাবা, তোর এত মন খারাপ কেন?’ ‘দুখু বলল, ‘কিছু হয়নি মা এমনি মন খারাপ।’
মা বলল, ‘ঠিক আছে বাবা তাহলে এখন ভাতটা খেয়ে নে।’
দুখু ভাত খেতে খেতে গাছটির কথা মনে পড়ল। পরদিন সকালে দুখু আবার বনে গেল।
এবার সে প্রতিজ্ঞা করল যে, ‘যাই হোক না কেন কেন আমি এবার গাছের সামনে গিয়ে দেখবই কি এই গাছের রহস্য।’
দুখু ছোট ছোট পায়ে গাছের সামনে পৌঁছাল। গাছ থেকে একই শব্দ আসতে থাকল। দুখু দেখল যে গাছটির ভেতর থেকে আওয়াজ আসছে। গাছটির কোটরের সামনে একটা পাথর। গাছটি থেকে আবারো একই শব্দ বলে উঠলো, দুখু এবার জিজ্ঞেস করল, ‘কে! কে ডাকে আমায়?’
গাছ থেকে শব্দ আসলো, ‘এই যে, এই যে আমি।’
দুখু বলল, কোথায় আমি তো কাউকে কোথাও দেখতে পারছি না। কে! কে কথা বলে?
গাছ থেকে আবার আওয়াজ আসলো, ‘আমি গাছের কোটরে আটকে আছি, আমাকে এখান থেকে বের করো দয়া করে! বের করলেই আমাকে দেখতে পাবে।’
দুখু অনেক চেষ্টা করল গাছের কোটর থেকে পাথরটি বের করার জন্য কিন্তু সে পারল না। হঠাৎ তার মাথায় একটা বুদ্ধি এল। সে তার শিক্ষকের কাছ থেকে শুনেছে, শক্ত বাঁশ কিংবা কাঠ দিয়ে সহজেই ভারী জিনিস সরানো যায়। তাই সে একটি শক্ত বাঁশ খুঁজে এনে পাথরটিকে সরানোর চেষ্টা করতে থাকল। বারবার চেষ্টা করার পর সে শেষ পর্যন্ত পাথরটি সরাতে সক্ষম হলো। পাথরটি সরানো মাত্রই গাছের কোটর থেকে অনেক আলো বের হতে লাগল। দুখু আলোর ঝলকানিতে তার চোখ বন্ধ করে ফেলল। চোখ খোলার পরে সে দেখতে পেল তার সামনে একটি সুন্দর পরি পাখা মেলে বাতাসে ভাসছে। পরিটি দেখতে অনেক সুন্দর। মায়াবী চোখ। দুটো ডানাও আছে। পরিটিকে দেখে দুখু বিস্মিত হলো।
দুখু বলল, ‘ওমা! তুমি কে?’
পরি বলল, ‘আমি হলাম ঝলমলে পরি। আমি প্রায় দুইশত বছর ধরে এখানে আটকে আছি। তোমাকে যে আমি কিভাবে ধন্যবাদ জানাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ বন্ধু আমাকে এখান থেকে বের করার জন্য।’
দুখু বলল, ‘দুইশত বছর! তুমি দুইশত বছর কিভাবে এটার মধ্যে ছিলে? তাহলে তো তুমি নিশ্চয়ই আমার বাবাকে দেখেছো।’
পরি বলল, ‘না, আমি তোমার বাবাকে দেখিনি।’
দুখু বলল, ‘তুমি যদি পরিই হতে তাহলে তুমি নিজের জাদু ব্যবহার করে কেন বের হলে না?’
পরি বলল, ‘আমি তো ঝলমলে পরি, তাই আমার জাদু অন্ধকারে কাজ করে না।’
দুখু বলল, ‘তুমি কিভাবে এই কোটরের মধ্যে আটকে গেলে?’
পরি বলল, ‘আমি দুইশত বছর আগে আমার বন্ধুদের সাথে এসেছিলাম এখানে। আমি লুকোচুরি খেলতে খেলতে গাছের কোটরের মধ্যে গিয়ে লুকোই। হঠাৎ প্রচণ্ড ঝড় শুরু হলো। সকলেই ভয় পেয়ে সেখান থেকে পালাতে লাগল। আর আমি যখনই কোটর থেকে বের হতে নিয়েছিলাম, তখনই কোত্থেকে একটি বড় পাথর এসে কোটরের মুখটি বন্ধ করে দেয় এবং আমি এখানে আটকে যাই।
আর তুমি আজ আমাকে এখান থেকে মুক্তি দিলে, তোমাকে অনেক ধন্যবাদ। এখন বন্ধু বলো আমাকে তুমি এখান থেকে বাঁচিয়েছো এর বিনিময়ে তুমি আমার কাছ থেকে কি চাও?
দুখু বলল, ‘ছোটবেলায় আমার বাবা মারা যায়। তাই আমি আমার বাবাকে দেখতে চাই।’
পরি বলল, ‘আমি দুঃখিত বন্ধু। আমি মৃত মানুষকে ফিরিয়ে দিতে পারব না। তুমি আমার কাছে অন্য কিছু চাও।’
দুখু বলল, ‘হুমমম… ঠিক আছে। আমি আমার মাকে সবসময় খুশি দেখতে চাই। আমি চাই যে আমার মা যাতে আর কখনো কান্না না করে।’
পরি বলল, ‘তোমার ইচ্ছাপূরণ করা হয়েছে বন্ধু। এখন আমার যাওয়ার সময় হয়েছে। কখনো যদি আমার সাহায্য প্রয়োজন হয়, তাহলে ঝলমলে পরি বলে তিনবার ডাকবে, তাহলে আমি তোমার কাছে হাজির হব।’
পরির কাছ থেকে বিদায় নিয়ে দুখু দৌড়ে গেল নিজের বাড়িতে। বাড়িতে যাওয়ার পর সে দেখতে পেল তার বাড়িটি একটি পাকা দালান হয়ে গেছে। তার মা টেবিলে অনেক খাবার সাজিয়ে বসে আছেন।
মা বলল, ‘দুখু বাবা এগুলো কিভাবে হলো? আমাদের বাড়িতে অনেক টাকা পয়সা এসে গেছে। হঠাৎ করে এসব জিনিসপত্র আর আমার জামাকাপড় পাল্টে গেছে। আমাদের এই কুটিরটি অনেক বড় একটি বাড়ি হয়ে গেছে। এগুলো কিভাবে হলো? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।’
দুখু তার এবং ঝলমলে পরির সম্পর্কে সবকিছু তার মাকে খুলে বলল। তার মা দুখুর কথা বুঝতে পেরে তাকে জড়িয়ে ধরল।
মধুবাগ, ঢাকা থেকে

শেয়ার Facebook

আরও যেসব নিউজ পড়তে পারেন

প্রজাপতির মা : ওমর বিশ্বাস

সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫

বন্ধু : মাহফুজ ইকরাম

আগস্ট ১৪, ২০২৫

ছোটবেলার ফেরিওয়ালা : রকিবুল ইসলাম

জুলাই ২৭, ২০২৫

সুফিয়ান আহমদ চৌধুরীর দুটি ছড়া

জুলাই ২৭, ২০২৫

যখন তারা ছিলেন তোমার মতো ছোট :: আকিব শিকদার

জুলাই ১৪, ২০২৫

ভূত নয় চকলেট :: মোকাদ্দেস-এ-রাব্বী

জুলাই ১৪, ২০২৫

আমার প্রিয় মা :: আবুল হোসেন আজাদ

জুলাই ১৪, ২০২৫

বাতাসের শেষ কোথায় :: ইমরুল ইউসুফ

জুলাই ১৪, ২০২৫

সাম্প্রতিক খবর

  • রোহিঙ্গা ফেরত নিয়ে মিয়ানমার জান্তার নতুন চাল?

    আগস্ট ২০, ২০২৬
  • ক্রীড়া শিক্ষা বোর্ডের প্রয়োজনীয়তা

    আগস্ট ২০, ২০২৬
  • জেগে উঠছে কি রিং অব ফায়ার?

    আগস্ট ১৭, ২০২৬
  • ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে ইউয়ান, চীনা মুদ্রার দাপট বাড়ছে কেন?

    আগস্ট ১৩, ২০২৬
  • নিকলি হাওড়ে হারিয়ে গেলাম

    আগস্ট ১৩, ২০২৬

BDOUTLOOK.COM

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মাহমুদা জুয়েনা

bdoutlook2@gmail.com

  • Privacy Policy
BDOUTLOOK
  • হোম
  • দেশ
    • জাতীয়
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • রাজশাহী
    • বরিশাল
    • সিলেট
    • রংপুর
    • ময়মনসিংহ
  • বিশ্ব
  • প্রবাস
    • আমেরিকা
    • ইউরোপ
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • আফ্রিকা
    • এশিয়া
    • অস্ট্রেলিয়া
  • রাজনীতি
  • অর্থবাণিজ্য
  • খেলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • ফিচার
    • শিল্পসাহিত্য
      • কবিতা ও ছড়া
      • গল্প
      • প্রবন্ধ-আলোচনা
      • রম্য
      • শিশুসাহিত্য
      • স্মৃতিকথা
      • শিল্পসাহিত্যের খবর
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • লাইফস্টাইল
    • ট্যুরিজম
    • ধর্ম
    • স্বাস্থ্য
    • ক্যাম্পাস
    • নারী
  • অপরাধ আইন আদালত
  • সাক্ষাৎকার